বুধবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

এখন থেকে আপনার মুখের কমান্ডে মোবাইল চলবে!


আপনারা শুনে কিন্তু অবাক হবেননা আমি আসলে এই কথাটা এই কারোনে বলেছি যে আমি নিজেও প্রথমে অবাক হয়েছিলাম শুনে যে মোবাইলের বাটন না টিপে শুধু মুখে হও বললেই হয়ে যাবে।Just say “Ok Google

আপনার screen  touch করতে হবেনা।এইভাবে আপনি সবকিছু করতে পারবেন।এমনকি text ও করতে পারবেন।এক কথাই সব কিছু করতে পারবেন আপনার মুখ দিয়ে।



print where you want,wahtever.

এছাড়া ও আপনি গান বা কল আসলে রিসিভ করতে ছাইলে বা কল দিতে ছাইলে আপনি শুদু আপনার মুখে নাম্বার বলে কল বা Ok বললেই হয়ে যাবে।ওনেক মযার না?

এছাড়া ও আপনি গান বা ভিডিও দেখতে চান  আপনি শুদু আপনার মুখে বললেই বা Ok বললেই হয়ে যাবে।ওনেক মযার না?

এছাড়া ও আপনার নিকট যদি কোনো অপরিচিত নাম্বার থেকে কল আসে তখন আপনার মবাইলে Google map দেখাবে কোথায় থেকে কল আসছে ।ওনেক মযার বিষয় তাই না?


Size- 615k
Current Version- 0.9.51
Requires Android- 4.1 and up

সকলকে ধন্যবাদ

ডাউনলোড করুন আপনার এনড্রয়েড এর জন্য ধুম ৩ গেমটি । দেখুন তো ক্যামন লাগে ।


 
বন্ধুরা আজকের এই পোস্ট টি করবো কি করবো না এটাই ভাবছিলাম , ভাবলাম কেউ আবার আগে পোস্ট করে দেয়নি তো সার্চ করে দেখলাম পেলাম না তারপর ভাবলাম শেয়ার করেই ফেলি । তাহলে আমার হেডলাইন দেখেই বুঝতে পারছেন আমি আপনাদের জন্য কি নিয়ে এসেছি । আমার কোন এনড্রয়েড মোবাইল নেই তাই এটা খেলে দেখিনি ক্যামন তবে আপনারা ডাউনলোড করে খেলে দেখে আমাকে জানাবেন ক্যামন লাগলো । মিডিয়া ফাইর ডাউনলোড তাই ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হবে না । 





==> আমি দুই ভাবে দিলাম আপনার সুবিধা মতো করে নিন ডাউনলোড করে নিতে পারেন আবার চাইলে গুগল প্লে থেকে ইন্সটল করে নিতে পারেন । নীচে দেখুন ……

download

ডাউনলোড মিডিয়া ফাইর লিঙ্ক 

ডাউনলোড গুগল প্লে 


==> আশাকরি আপনাদের ডাউনলোড করতে কোন সমস্যা হবে না । আর হা একটু তাড়াতাড়ি ডাউনলোড করে নিবেন না হলে মিডিয়া ফাইর আবার ফাইল ডিলিট করে দিতে পারে । আবার এই পোস্টে কোন ভুল হলে আমাকে ক্ষমার চখে দেখবেন । তাহলে আজকের মতো এই পর্যন্ত আবারও দেখা হবে নতুন কিছু নিয়ে ।
পোস্টটি ক্যামন লাগলো কমেন্ট করে জানাতে ভুলবেন না কিন্তু
       আল্লাহ্‌ হাফেজ । আবার দেখা হবে ।

Al Quran for Android Device [Arabic, English, Arabic-Bengali]


 “আসসালামুআলাইকুম”।সবাই কেমন আছেন।  আমরা যারা মুসলিম তাদের মধ্যে অনেক  মানুষ আছে যারা আমরা কুরআন পরতে পারি না আর পারলে ও এর মর্ম উদ্দার করতে পারি না তাদের জন্য আমার এই পোস্ট।
এই পোস্ট হচ্ছে পবিত্র এবং সর্ব শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ আল-কুরআন নিয়ে ।আমি  এখন যে জিনিস টা  আমি আপনাদের দিব তা আমার মনে হয় সবাই খোঁজেন ঠিক  কিনা ।  আর সবার কাছে এই জিনিস টি মনে হয় জীবনের চেয়ে বেশি কিছ তাই না ?আতে ১১৪ টি সূরা রয়েছে আতে ৩ টি ভাষা আছে আরবি বাংলা এবং ইংলিশ ।  তো আর কথা না বারিয়ে তা আপনাদের দিয়ে দেই । আল্লাহ্‌ সবাইকে নিজ নিজ ধর্ম সঠিকভাবে পালন করার তৌফিক দান করুন ।
 quran arabic Size : 2.6M
Current Version : 1.6
Requires Android : 2.2 and up
Download
 quran bangla CURRENT VERSION: 1.3
REQUIRES ANDROID: 2.2 and up
Download
 quran english
Download

Android phone বিক্রি করার কথা ভাবছেন, আপনার personal data/info clean করেছেন তো ?


 আপনি কি আপনার Android phone বিক্রি করার কথা ভাবছেন। তাহলে আপনি অবশ্যই চান না আপনার personal data , application data বা account data আরেক জনের হাতে পরুক বা এগুলো কেউ ব্যবহার বা browse করুক।
smart phone এ আমরা নানা রকম applicarion use করি, বিভিন্নও website browse করি। অনেক সময় এসব applicarion personal information phone এ store করে বা আমরা username, password save করি। application remove করলেই আপনি ১০০% নিশ্চিন্ত হতে পারবেন না যে সবকিছু মুছে গেছে, কারন ভবিষ্যতে যে কোন সময় যদি কেউ সেই একই applicarion install করে, তবে সে আপনার information গুলো পাবে ও use করতে পারবে। তাই smart phones sell করতে চাইলে এই গুরুত্তের সাথে বিবেচনা করা উচিৎ।
এর একটি সহজ সমাধান হিসেবে আপনি phone reset করতে পারেন। এর জন্য…
Android 4.0 এবং above version
Settings >> backup and rest >> personal data >> Factory reset
Android 2.3
Settings> Privacy> Factory data reset
এছাড়া নিচের applicarion use করেও storage space, applications working full storage space সম্পূর্ণ clean করতে পারবেন যা আর recover হবে না। তাই সতর্কতার সাথে use করবেন।
SHREDroid
Forever Gone (SD Card Cleaner)
My File Shredder

মোবাইল এর সিকিউরিটি কোড জানার সফটওয়্যার (মাত্র ৭৬৪ কিলোবাইটস)


 
হুম ঠিকই দেখেছেন। মাত্র ৭৬৮ কেবি এর একটি সফটওয়্যার পারে নোকিয়া,এলজি, অ্যাপল সহ আরও অনেক ব্র্যান্ড এর মোবাইল এর সিকিউরিটি কোড!!! অনেক সময় আমাদের মোবাইল ফ্যাক্টরি রিসেট দেওয়া লাগে। তখন দৌড়াই মোবাইল সার্ভিস এর দোকানে। আর দোকানীও সুযোগ বুঝে দাও মারে, পকেট কেটে ফাঁকা করে আমাদের। ব্র্যান্ড আর মডেল বুঝে দাম করে। আপনি একটু সচেতন হলেই পারেন এই অনর্থক পকেট কাটা থেকে মুক্তি পেতে!!! এখনি এই ছোট্ট সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন আপনার কম্পিউটারে। এটি ইন্সটলও করা লাগে না!! রান করলেই চলে। তারপর ডান পাশে ব্র্যান্ডগুলো থেকে বেছে নিন আপনার দরকারি ব্র্যান্ডটি। ব্র্যান্ড এর লোগোতে ক্লিক করলেই দেখবেন ওই ব্র্যান্ড এর সব দরকারি কোড গুলো দেখাচ্ছে। তারপর আপনার ইচ্ছে মত মোবাইল রিসেট দিন, লক খুলুন যা ইচ্ছা করুন।
বিঃ দ্রঃ কারো কোন ক্ষতি করলে আমি কিছু জানি না :P যা করার নিজ দাইয়ত্তে করবেন। ধন্যবাদ :)


Download (ansclub.com)

পূর্বে প্রকাশিত এইখানে  

রিমোর্ট কী ঠিক আছে? পরীক্ষা করুন আপনার মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে।

 




আচ্ছালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন সবাই? আশা করি ভালোই আছেন। আমি ও আছি ভালোই আলহামদুলিল্লাহ্। আজ আমি বেশি কিছু লিখবো না, কারন আমি এখন খুব বাস্ত। যাই হোক আজ আমি যেই পস্ট টির কথা বলছি সেটি সম্পকে অনেকে হয়তো জানেন, যারা না জানেন তারা দেখে নেন কাজে লাগতে পারে।
এখন যদি আপনার হাতে ক্যামেরা মোবইল থাকে এবং টিভি রিমর্ট থাকে তাহলে হয়ে যাক একটি পরীক্ষা! খালি চোখে রিমোর্ট এর লাইট দেখবেন না কিন্তু মোবাইল ক্যামেরা দিয়ে ঠিকই লাইট দেখবেন।
বাসার টিভির, এয়ারকন্ডিশনের কিংবা মিউজিক প্লেয়ার সহ অন্য যেসব ডিভাইসের রিমোর্ট আছে , সেই রিমোর্ট কন্ট্রোল গুলো কাজ করছে কিনা বুঝবেন কিভাবে, কি ব্যাটারী শেষ নাকি অকেজো হয়ে গেছে সেটা পরীক্ষা করতে হলে আপনি যা করবেনঃ
 
প্রথমে মোবাইলের ক্যামেরা ওপেন করুন এবং ক্যামেরার সামনে রিমোর্ট কন্ট্রোল্টি ধরে (যে অংশে ছোট এলইডি বা লাইট আছে) যেকোন কি চাপুন দেখবেন আপনার মোবাইলের ক্যামেরা স্ক্রীন এ ইনফ্রারেড রে বা লাইট জলছে কিনা?
==================================================================
যদি দেখেন উপরের চিএের মত দেখা যাচ্ছে তাহলে বুঝবেন রিমর্ট টি ঠিক আছে , হয়ত ব্যাটারী পাল্টালেই চলবে।
আর নষ্ট হলে আপনি রে টি দেখতে পাবেননা।
====================================================================================================

ভালো থাকবেন সবাই। ধন্যবাদ।

আপনি কি ক্যামেরা মোবাইল কিনতে চান ? তাহলে কেনার আগে এই পোস্টটি দেখুন!

 


nonameমোবাইল ফোন কেনার সময় অনেক ক্রেতাই এর ক্যামেরা দেখে আকর্ষিত হন। মুঠোফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো সেটা বুঝতে পেরেছে বলেই এখন বাজার ধরতে উন্নত ক্যামেরাযুক্ত ফোন তৈরি করছে। কিন্তু ভালোমানের স্মার্টফোন ক্যামেরা তৈরির এ দৌড়ে একেকটি প্রতিষ্ঠান একেক রকম পদক্ষেপ নিচ্ছে। যার অর্থ দাঁড়াচ্ছে, ক্রেতাদের পক্ষে বিভিন্ন ধরনের মুঠোফোনের ক্যামেরার মূল বিষয়গুলো ধরে পার্থক্য নির্ণয় করা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। কোন ক্যামেরা ভালো হবে ক্রেতারা অধিকাংশ সময়ই সেটা বুঝে উঠতে পারেন না। স্যামসাংয়ের তৈরি গ্যালাক্সি এস৪ যে পিক্সেলে ছবি তোলে নকিয়ার লুমিয়া ১০২০ মডেলের ক্যামেরার চেয়ে তাতে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। তেমনি আইফোন৫এসে যে ক্যামেরা পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় এইচটিসি ওয়ানের চেয়ে তা আলাদা। এসব হাইএন্ড বা বেশি দামের স্মার্টফোনে কী ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করা হচ্ছে বা কোন ক্যামেরা বেছে নিলে ভালো ছবি তোলা যাবে তা নিয়ে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ে যান অনেক স্মার্টফোন ক্রেতা। স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ক্যামেরার উন্নতির ক্ষেত্রে নানা পদ্ধতি গ্রহণ করেছে।
ক্যামেরায় বেশি বেশি পিক্সেলগ্যলাক্সি এস ৪
বেশ কয়েক বছর ধরেই ক্যামেরা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো তাঁদের পণ্যে পিক্সেল ঘনত্ব বাড়ানোর পদ্ধতি গ্রহণ করেছে। স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোও ক্যামেরা নির্মাতাদের এ নীতি গ্রহণ করেছে। উদাহরণ হিসেবে ২০১০ সালে স্যামসাংয়ের বাজারে আনা ‘গ্যালাক্সি এস’ স্মার্টফোনটির কথা বলা যায়। এ স্মার্টফোনটিতে সেসময় মাত্র ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা ছিল। কিন্তু এ বছরের জুন মাসে বাজারে আনা ‘গ্যালাক্সি এস৪’ স্মার্টফোনটিতে পিক্সেল বাড়িয়ে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা যুক্ত করেছে স্যামসাং। ক্যামেরায় পিক্সেল বাড়ানোর এ পদ্ধতিটি নেহাত মন্দ নয় বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। তাঁদের যুক্তি হচ্ছে, অধিক পিক্সেলের অর্থ হচ্ছে এ স্মার্টফোন বিস্তারিত ছবি তুলতে পারে এবং ছবি হয় ঝকঝকে। কিন্তু উন্নত পিক্সেলের সঙ্গে উন্নতমানের ছবি পেতে গেলে ক্যামেরাকে একটি বিশেষ সফটওয়্যারের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হয় যা ছবির পিক্সেলকে সঠিকভাবে ব্যবহার করে সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে। এক্ষেত্রে সবচেয়ে উত্কৃষ্ট উদাহরণ হচ্ছে সনি। উন্নত লেন্সের পাশাপাশি বেশি মেগাপিক্সেলের ইমেজ সেন্সর যুক্ত করে সনি।  সনির এক্সপেরিয়া জেড১ স্মার্টফোনটির সঙ্গে রয়েছে ২০.৭ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা ও জি লেন্স যা স্মার্টফোনের প্রচলিত লেন্সের চেয়ে অধিক উন্নত।
অবশ্য, প্রচলিত মেগাপিক্সেল পদ্ধতি কতো উন্নতভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে তার উত্কৃষ্ট উদাহরণ তৈরি করেছে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিষ্ঠান স্যামসাং।  স্যামসাং যদিও তাদের স্মার্টফোনের প্রচারের সময় ক্যামেরা নিয়ে বেশি কথা বলে তারপরও পারফরমেন্সের বিচার করলে প্রতিষ্ঠানটির বেশ কয়েকটি মডেলের স্মার্টফোন ছবি তোলার জন্য বিশেষ উপযোগী। উন্নত পিক্সেলের ঝকঝকে ছবি ও ভিডিওচিত্র ধারণের জন্য গ্যালাক্সি এস৩ ও এস৪ সমাদৃত। এ ছাড়াও গ্যালাক্সি নোট ৩ ও নোট ২ উন্নত ছবি তুলতে পারে।
আইফোন৫এসবড় পিক্সেল পদ্ধতি
কম আলোতে ছবি তোলার সময় প্রচলিত ক্যামেরা পদ্ধতির দুর্বলতা বোঝা যায়। অর্থাত্ আলো কম থাকলে ছবি ভালো ওঠে না। ছোটো ইমেজ সেন্সরে অধিক পিক্সেল কিংবা স্মার্টফোনে বড় ইমেজ সেন্সর বসানোর জায়গা না থাকায় পিক্সেলের আকার ছোট হয়ে যায়। পিক্সেল হচ্ছে ছবির ক্ষুদ্রতম একক যার অভ্যন্তরে আর কোন ভগ্নাংশ নেই;অর্থাত্ পিক্সেল ছবির অতি ক্ষুদ্র অংশের প্রতিনিধিত্ব করে। ছোটো সেন্সরে স্মার্টফোন নির্মাতারা পিক্সেলের ঘনত্ব বাড়িয়ে দেওয়ার কারণে পিক্সেল আরও ক্ষুদ্রতর হচ্ছে। যার অর্থ, কম আলোয় ছবির মান খারাপ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে। বর্তমানে দুটি প্রতিষ্ঠান এ সমস্যা থেকে বের হয়ে এসে বড় পিক্সেল নিয়ে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠান দুটি হচ্ছে এইচটিসি ও অ্যাপল। এইচটিসি ওয়ানের ক্ষেত্রে, তাইওয়ানের প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি এমন একটি ইমেজ সেন্সর যুক্ত করেছে যা কেবল মাত্র চার মেগাপিক্সেলে ছবি তোলে। এইচটিসির দাবি, অনলাইনে ও সামাজিক যোগাযোগের সাইটের জন্য ছবি তোলার ক্ষেত্রে এটাই অনেক বড় মাপ। এইচটিসির সেন্সরে পিক্সেলের ঘনত্ব কম থাকায় বড় পিক্সেল পদ্ধতি ব্যবহূত হয় যাতে অধিক আলো ধরে রাখা যায় এবং কম আলোতে ভালো ছবি ওঠে। বড় মাপের পিক্সেল পদ্ধতি ব্যবহারের জন্য এইচটিসির ক্যামেরাটি কম আলোতে ছবি তোলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো। তবে মাত্র ৪৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা হওয়ায় এটি ছবির বিস্তারিত অনেক কিছু ধরতে পারে না। গ্যালাক্সি এস৪ বা আইফোন৫ এর তুলনায় এইচটিসি ওয়ানের ক্যামেরাকে তাই গড় মানের ক্যামেরা বলা যায়।
অ্যাপলের সম্প্রতি বাজারে আনা আইফোন৫এসের ক্ষেত্রে এইচটিসির মতো বড় পিক্সেল পদ্ধতি ব্যবহূত হয়েছে। তবে, এক্ষেত্রে কিছুটা সতর্কতা অবলম্বন করেছে অ্যাপল কর্তৃপক্ষ। আইফোন৫ এর মতো আইফোন ৫এসে পিক্সেল ঘনত্ব ঠিক রেখে সেন্সরের আকার বড় করেছে। আইফোন৫এস  আট মেগাপিক্সেলের ছবি তুলতে পারে তবে পিক্সেলের আকার আগের তুলনায় বড় হয়েছে। এতে করে ছবির মানের ক্ষেত্রে ভারসাম্য আসবে বলে মনে করছে অ্যাপল।
ওভারস্যাম্পলিং পদ্ধতি
লুমিয়া ১০২০ছবি তোলার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ ভিন্ন ধারার একটি পদ্ধতি ওভারস্যাম্পলিং। কেবল ফিনল্যান্ডের মুঠোফোন নির্মাতা নকিয়া এ পদ্ধতিটি ব্যবহার করে। নকিয়া এ পদ্ধতিটির নাম দিয়েছে ‘পিওরভিউ’। নকিয়া ৮০৮ ও লুমিয়া ১০২০ মডেলে এই ক্যামেরা প্রযুক্তিটি ব্যবহূত হয়েছে। এই প্রযুক্তিটির বিশেষত্ব হচ্ছে নকিয়ার তৈরি ৪১ মেগাপিক্সেলের ইমেজ সেন্সর। 
নকিয়ার লুমিয়া ১০২০ মডেলের স্মার্টফোনটির তোলা ছবিতে কেবল ৫ মেগাপিক্সেল পাওয়া যায় বলে অনেকে ধারণা করেন। ৪১ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরায় মাত্র ৫ মেগাপিক্সেল! নকিয়া কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, আদতে পাঁচ মেগাপিক্সেলের ছবি দেখতে পেলেও পুরো ৪১ মেগাপিক্সেলের সেন্সরের সাহায্য নিয়ে তোলা ছবিকে ৫ মেগাপিক্সেলে রূপান্তর করে দেখানো হয়। ৪১ মেগাপিক্সেলের তোলা ছবিকে ৫ মেগাপিক্সেলে দেখানোর ফলে সুপার পিক্সেল তৈরি হয় যা ছবির বিস্তারিত দেখাতে পারে। নকিয়া এই প্রক্রিয়াটিতে ওভারস্যাম্পলিং বলে।
যেকোনো পরিবেশে নকিয়ার এ ক্যামেরা প্রযুক্তি উন্নত ছবি তুলতে পারে। এ ক্যামেরা ব্যবহারকারীদের অভিমত হচ্ছে, পিওরভিউ প্রযুক্তির ক্যামেরার কথা শুনতে যতো ভালো লাগে ছবি তুলতে তার চেয়েও বেশি মজার।
ক্লিয়ার পিক্সেল পদ্ধতি
ক্লিয়ারপিক্সেল পদ্ধতিটি অনুসরণ করছে গুগলের অধীনস্থ মটোরোলা। সাধারণত ক্যামেরায় তিনটি রং লাল, নীল সবুজ (আরজিবি) সেন্সর ডিজাইন পদ্ধতি ব্যবহূত হয়। এ পদ্ধতিটির নাম বেয়ার ফিল্টার পদ্ধতি। সহজ কথায় বলতে গেলে, ক্লিয়ারপিক্সেল ক্যামেরায় লাল, নীল সবুজ এ তিনটি পিক্সেল ধারণ করা হয়। পরে এ পিক্সেল প্রক্রিয়াজাত করে সর্বশেষ ছবি হাজির হয়। মটোরোলার ‘মটো এক্স’ স্মার্টফোনটিতে অবশ্য চারটি রং ব্যবহার করার কথা বলা হয়েছে। আরজিবিসি অর্থাত্ রেড, গ্রিন, ব্লু ও ক্লিয়ার এ চারটি পিক্সেলের সহায়তার পরিষ্কার ও ঝকঝকে ছবি তুলতে পারে মটো এক্স। এ ছাড়াও কম আলোতে ভালো ছবি তুলতে পারে। বাস্তবে মটো এক্স গ্যালাক্সি এস৪ বা লুমিয়া ১০২০এর মতো পারফরমেন্স দেখাতে পারেনি। সফটওয়্যার আপডেট এনে মটোএক্সের ক্যামেরার পারফরমেন্স উন্নত করছে মটোরোলা।

মটো এক্সযে পদ্ধতিগুলো নিয়ে সবাই কাজ করছে
আলাদা আলাদা ইমেজ সেন্সর প্রযুক্তি নিয়ে স্মার্টফোন নির্মাতারা কাজ করলেও ক্যামেরায় লেন্সের নকশার ক্ষেত্রে উন্নতি করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে প্রতিষ্ঠানগুলো। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, নকিয়া তাদের লুমিয়া ৯২০ মডেলের স্মার্টফোনে অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশনের প্রচলন করেছিল। এখন এইচটিসি ওয়ান, লুমিয়া ৯২৫, লুমিয়া ১০২০ ও এলজি জি২ স্মার্টফোনেও এ প্রযুক্তি ব্যবহূত হচ্ছে।
অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশনের কারণে ছবি ও ভিডিও ঝকঝকে হয়। একইরকমভাবে ক্যামেরা লেন্সের ক্ষেত্রে এইচটিসি ওয়ান ও এক্সপেরিয়া জেড ওয়ানে এফ২.০ অ্যাপারচার রয়েছে। আইফোন ৫এসে অ্যাপারচার এফ২.২। অ্যাপারচারকে মানুষের চোখের মনির সঙ্গে তুলনা করা হয়। চোখের মনিতে আলো পড়লে তা যেমন আপনাআপনিই ছোট হয়ে যায় আবার কম আলোতে বড় হয়ে যায়, অ্যাপারচার বিষয়টিও কিছুটা এমন ধরনেরই। ইংরেজি এফ অক্ষর দিয়ে অ্যাপারচার প্রকাশ করা হয়।  অ্যাপারচার ভ্যালু বা এফ ডট স্টপ যত বাড়বে ক্যামেরায় আলো তত কম প্রবেশ করবে  আর অ্যাপারচার ভ্যালু যত কমবে ক্যামেরায় আলো তত বেশি প্রবেশ করবে।
কোন পদ্ধতির ক্যামেরাযুক্ত স্মার্টফোন কিনবেন?
এক্সপেরিয়া জেড১
গবেষকেরা বলেন, তাত্ত্বিকভাবে বিবেচনায় নিলে ক্যামেরা পদ্ধতি হিসেবে সবগুলোই ভালো। কিন্তু বিবেচনার বিষয় হচ্ছে, এ ক্যামেরা পদ্ধতি স্মার্টফোনে কতোটা ভালোভাবে যুক্ত করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত স্মার্টফোনের বাজারে এককভাবে কাউকেই জয়ী বলা সম্ভব নয়। তবুও ক্যামেরা প্রযুক্তির কথা বিবেচনা করলে পিওরভিউ প্রযুক্তিটিকে এগিয়ে রাখা যায় তবে, উন্নত ছবি ও ভিডিওর কথা মাথায় রাখলে আইফোন৫এস, গ্যালাক্সি এস৪, এক্সপেরিয়া জেড১ নকিয়ার লুমিয়া ১০২০ স্মার্টফোনটির চেয়ে খুব বেশি পিছিয়ে রয়েছে সে কথাও বলা যায় না।

এখন থেকে সিডি প্লেয়ারের দাম ৩ টাকা, ট্যাবের দাম ৪০০ টাকা


 


image_44764.12c16f97e7027ab194cac088e0a0b29a
এমপিথ্রি প্লেয়ারের দাম ১.৮৩ টাকা। সিডি প্লেয়ারের দাম ৩ টাকা। এলইডি টর্চ, এলডি ব্লাভ-এর দাম ৮ টাকা। ইমার্জেন্সি ল্যাম্প-এর দাম ২৫ টাকা। কলিং ট্যাব (৪ জিবি)-এর দাম ৪০০ টাকা। অবাক হচ্ছেন! অবাক হওয়ার কিছু নেই, শুল্ক বিভাগের কড়া নিয়ম না থাকলে আপনার-আমার বাড়িতে এত কম দামেই আমার জিনিস পেতে পারতাম।
চীন থেকে মুম্বাইয়ে এসেছে ৩, ৬৭৩টি ইলেকট্রনিক জিনিসপত্র যাদের দাম পানির থেকেও সস্তা। কিন্তু জিনিসগুলির বহিঃশুল্ক (Customs duty) বেশ চড়া। তবে তাতে চীন থেকে আনা সেসব জিনিসের দাম জলেনর মত না হলেও বেশ সস্তাই থাকছে।
নূন্যতম ৩১ শতাংশ বহিঃশুল্কসহ আরও বেশ কিছু শুল্ক আরোপের পর ১.৮৩ টাকার এমপিথ্রি প্লেয়ারের বাজারের দাম হয়েছে ২৩০ টাকা। ৩ টাকার সিডি প্লেয়ার বাজার থেকে কিনতে হবে ৩৩০ টাকায়। ২৫ টাকার ইমার্জেন্সি ল্যাম্প-এর বাজারের দাম পড়ছে ৪৫০ টাকা। ৪০০ টাকার কলিং ট্যাব (৪ জিবি)-এর বাজারী মূল্য হচ্ছে ৪২৯৯ টাকা।
সূত্র- কালের কণ্ঠ ,জিনিউজ

রিয়েল হ্যাকিং !!!! আসলেই কি সবার দ্বারা সম্ভব ??? একটু অ আ ক খ জেনে যান রিয়েল হ্যাকিং এর


 সবাইকে নতুন বছরের অগ্রীম শুভেচ্ছা জানিয়ে আমি আমার আজকের টিউন শুরু করছি । আসলে হ্যাকিং এর উপর সবা্রই কম বেশী ঝোক আছে । কিন্তু হ্যাকিং বললেই তো আর হ্যাকিং হয়ে যায় না । অনেক কাঠ খড় পোড়ানোর বিষয় আছে এর পেছনে । একজন রিয়েল হ্যাকার হতে হলে আপনাকে যেমন সময় ব্যায় করতে হবে , তেমন সমান তালে মেধাও ব্যায় করতে হবে । টিটিতে হ্যাকিং এর উপর অনেক টিউন ই আছে । সেগুলো অনেক উপকারীও বটে । কিন্তু হ্যাকিং এর প্রাথমিক বা শুরুর বিষয়গুলো খুব কম স্থানেই বলা আছে । সেখানে শুধু কয়েকটা টিপস শেখানো হয় । কিন্তু রিয়েল হ্যাকার হতে হলে আপনাকে অনেক আগে থেকে শুরু করতে হবে ।আজ সেই বিষয়েই কয়েকটি ধাপ নিয়ে আমি আলোচনা করব । আসলে বাংলাদেশে অনেক ভাল ভাল হ্যাকাররা আছেন । তাদের প্রতি আমার সালাম রইল ।  আমার লেখায় কোন ভুল হলে সেটা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ও ভুলটা শুধরে দিবেন দয়া করে ।
আসলে কীলগার , বা বিভিন্ন সফটওয়্যার দিয়ে হ্যাকিংও এক ধরনের হ্যাকিং , তবে সেগুলো সব ক্ষেত্রে সমান ভাবে কার্যকরী নয় । এজন্য , রিয়েল হ্যাকিং শিখতে গেলে আপনাকে নেটওয়ার্ক , প্রোগ্রামিং , ওয়েব হোষ্টিং , রিমোট একসেস , আইপি নেটওয়ার্কিং ও আরও অনেক বিষয়ে ভাল জ্ঞান থাকতে হবে যদিও আমি নিজেও বিষয়গুলো মোটেও বুঝি না । তবুও যেটুকু বুঝি সেটুকু আপনাদের মাঝে শেয়ার করছি ।তবে এটাকে কখনও হ্যাকিং টেকনিক ভেবে ভুল করবেন না । কারণ , এটা জাষ্ট আপনার হ্যাকিং এর জন্য একটা থিম বা বেসিক । এর মধ্যে আপনি সব ধাপগুলো জানতে পারবেন । কিছু কিছু কাজ নিজেও করতে পারবেন । তবে অনেক কিছুই এখান থেকে বুঝে আপনাকে গুগলে সার্চ দিয়ে বের করে জানতে হবে সেগুলোর ইউজ সম্পর্কে ।
প্রথমে দেখে নিই রিয়েল হ্যাকিং এর প্রাথমিক কয়েকটা ধাপ ।
১. সুনির্দিষ্ট কিছূ তথ্য সংগ্রহ করা
২. পোর্ট স্ক্যান করা
৩. টার্গেটের অপারেটিং সিস্টেম এর সকল তথ্য বের করা
৪. সিস্টেমের খুত খুজে বের করা
৫. সিস্টেম এট্যাকের প্রস্তুতি
৬. সিস্টেমে এ্যাটাক করা
৭. সব শেষে আপনি যা কিছু করতে চান তা বাস্তবায়ন করা

তথ্য সংগ্রহ

প্রথমে আপনি যে ওয়েবসাইট বা সিস্টেম হ্যাক করতে চান তার আইপি খুজে বের করুন । এটা সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ কাজ । এটার জন্য কমান্ড প্রোমট ওপেন করে টাইপ করুন :
ping yoururl.com
তারপর এন্টার দিন । দেখুন আপনার ওযেবসাইটের আইপি পেয়ে গেছেন । তারপর এই আইপি নিয়ে এর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করুন । ওয়েবসাইট সম্পর্কে সকল তথ্য ( যেমন : মালিকের ইমেইল , সাইটের সার্ভিস , কন্টাক্ট নম্বর ইত্যাদি ) সংগ্রহ করুন । এগুলো পরবর্তীতে অনেক কাজে আসতে পারে । তারপর এই ডোমেইন এর মালিকের ইমেইল , ডোমেইন কোম্পানী সহ যাবতীয় তথ্যের জন্য এইএড্রেসএ গেয়ে আপনার টার্গেট ইউ আর এল লিখুন ও সার্চ করুন ।
তারপর আইপি এড্রেস এর লোকেশন জানার জন্য এই এড্রেস এ গিয়ে তার লোকেশনটা জেনে আসতে পারেন । যাই হোক , গুগলে সার্চ দিয়ে তার সম্পর্কে যত তথ্য দরকার সব বের করার চেষ্টা করুন ।
পোর্ট স্ক্যানিং টা হল অপারেটিং সিস্টেম বা ওযেবসাইটের ঢোকার রাস্তা খুজে বের কার । ধরুন আপনি একটা চুরি করবেন একটা বাড়িতে , তাহলে নিশ্চই আপনাকে ওই বাড়িতে ঢুকে তার কোন দরজা খোলা আছে বা কোন দিক থেকে ঢুকলে সুবিধা হয় তা জানতে হবে । একাজটা হল এরকমই । এটার মাধ্যমে মূলত আপনি যেখানে এটাক করবেন , তার কোন পথ সহজ বা দূর্বল তা বের করার জন্য । এটার জন্য আপনি কোন দামী পোর্ট স্ক্যানার ব্যাবহার করতে পারেন বা কোন ফ্রী সফটওয়্যারও ইউজ করতে পারেন । এটার কাজ হল , কোন সিস্টেমের কোন পোর্ট খোলা বা বন্ধ বা রানিং অবস্থায় আছে তা খুজে বের করা । এই কাজের জন্য আপনি NMAP or SUPERSCAN  সফটওয়্যার ইউজ করতে পারেন । আপনি NMAP দিয়ে পোর্ট স্ক্যান করার সময় যদি সেই পোর্ট থেকে UP রিপ্লাই দেয় , তাহলে বুঝবেন পোর্টটি রানিং অবস্থায় আছে । এই সফটওয়্যারটি গুগলে সার্চ দিয়ে ডাউনলোড করে নিন । তারপর কাজ শুরু করুন ।এর ব্যাবহারের উপর গুগলে সার্চ দিলেই অনেক টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন ।
নিজের পিসির পোর্ট খুজে বের করতে কমান্ড প্রমোট এ গিয়ে লিখুন :
Netstat –no
তারপর এন্টার দিন । দেখবেন আপনার পিসির পোর্ট গুলো সো করছে । NMAP ডাউনলোডের জন্য এখানে যান ।

অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কিত তথ্য

হ্যাকিং এর জন্য আপনাকে অবশ্যই ভিকটিমের অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কিত তথ্য জানতে হবে । যেমন , ভিকটিম কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যাবহার করে । উইন্ডোজ না লিনাক্স নাকি ইউনিক্স না ম্যাক ? তারপর আপনাকে অপারেটিং সিস্টেমের ভার্সন বের করতে হবে । যেমন উইন্ডোজ ইউজ করলে ভার্সন কত , মানে উইন্ডোজ ৭ , না ৮ নাকি এক্সপি ? এ্যাকুরেট এট্যাক চালাতে হলে আপনাকে এগুলো সম্পর্কে অবশ্যই জানকে হবে । না জানলে আপনি সঠিকভাবে রিমোট সিস্টেমে প্রবেশ করতে পারবেন না । এই কাজের জন্য যেসব টুলস প্রচলিত আছে সেগুলো হল :  NMAP , Netscantool pro প্রর্ভতি । গুগলে সার্চ দিয়ে এগুলো সংগ্রহ করার চেষ্টা করুন । খুব সহজেই পেয়ে যাবেন আশা করি ।

সিস্টেমের খুত খুজে বের করা

এটা হল , একটা সিস্টেমের কোথায় কোন খুত বা দূর্বলতা আছে সেটাকে খুজে বের করা । প্রায় সব সিস্টেমেই কোন না তোন স্থানে সমস্যা থাকে । এটা হতে পারে প্রোগ্রামিং এর সমস্যা , কোন সফটওয়্যার এর সমস্যা ইত্যাদি । এখন এই পর্যায়ে আমাদের কাজ হবে সিস্টেমের সেই সমস্যাগুলো খোজা ।সিস্টেমের কোন পোর্ট খোলা আছে বা রানিং আছে সেটা দেখা ও ওই পোর্ট সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা ।  এর জন্য আপনারা অনেক টুলস ব্যাবহার করতে পারেন । তবে Nessas , Nikto , Core Impact  এই টুল গুলো এই কাজের জন্য বেশ ভাল টুলস । এগুলো কীভাবে ইউজ করতে হয় তা গুগলে বিভিন্ন সাইট থেকে দেখে নিতে পারেন ।

সিস্টেম এট্যাকের ফাইনাল প্রস্তুতি ও এটাক

এ পর্যায়ে মূলত আপনাদের কোন সিস্টেম বা ওয়েবসাইট এট্যাকের ফাইনাল প্রস্তুতি নিতে হবে । এর জন্য মূলত আপনাদের সিস্টেমের দূর্বলতা অনুসন্ধান করে যে পো্র্টের দূর্বলতা রয়েছে সেই পোর্টের  Apache টা বের করতে হবে । এটা বের করার জন্য কমান্ড প্রমোটএ টাইপ ককরুন :
telnet your target ip or url port
বা , একটা উদাহরণ :
telnet 10.127.25.32 80
(ধরে নিলাম আপনার টার্গেট আইপি হল ৮০ , এখানে আপনারা যে পোর্টে দূর্বলতা পাবেন সেটাই লিখবেন ।)
এটা লিখে এন্টার চাপুন । দেখবেন , ২য় লাইনে আপনার কাঙ্খিত বস্তুটি আপনি পেয়ে গিয়েছেন  । এবার আপনার Apache ও পোর্টের জন্য এক্সপ্লোইট কোড ডাউনলোড করতে হবে । এই কোডটা হল , কোন সিস্টেমের নির্দিষ্ট দূর্বলতা অনুযায়ী এট্যাক চালানোর জন্য কিছু সোর্স কোড বা কমান্ড । এটা ডাউনলোড করার জন্য গুগলে সার্চ দিন ও ডাউনলোড করে এটা কম্পাইল করে ফেলুন । ব্যাস , সব কাজ শেষ । এবার এট্যাক চালান এই কোড ব্যাবহার করে । এটাকের বিষয়টা বিস্তারিত বলা সম্ভব হচ্ছে না । পরবর্তীতে কোন পোষ্টে বলার চেষ্টা করব । আর আপনারা গুগলে সার্চ দিয়ে এক্সপোলাইট কোড দিয়ে কীভাবে এটাক করতে হয় তা জেনে নিতে পারেন । ইউ টিউবের ভিডিও ও দেখতে পারেন ।
এক্সপ্লোইট কোড সার্চ করার জন্য : http://www.milw0rm.com
                                                   http://www.securityfocus.com

রিমোট সিস্টেমে কোন টুল ইন্সটল করা ও সিস্টেমের ফুল এক্সেস নেওয়া

এবার ধরে নিলাম আপনি সফল ভাবে এটাক করে রিমোট সিস্টেমের নিয়ন্ত্রন পেয়েছেন । এরপর কী ???? আপনি আপনার ইচ্ছা মত অনেক কিছুই করতে পারেন । ইউজারের ব্রাউজিং কুকি চুরি করতে পারেন । পাসওয়ার্ডগুলো নিতে পারেন । পিসিতে একটা কীলগার বা ট্রোজান ইন্সটল করে দিতে পারেন পরবর্তী এক্সেসের জন্য । বা সেই পিসির সকল লগ ফাইল ডিলিট করতে পারেন বা কোন ফাইল কপি করে নিতে পারেন । যা আপনার ইচ্ছা হয় , তাই করতে পারেন ।

মাত্র দুই ক্লিকে বের করুন যেকোন সফটওয়্যার এর অরিজিনাল কার্যকরী সিরিয়াল কী!!!




Happy+New+Year+2014+Wallpaper+HD

এই বছর অর্থাৎ ২০১৪ সালে এটাই আমার প্রথম পোষ্ট;আশা করি সবাই ভাল আছেন আজ আমি আপনাদের সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট শেয়ার করব আশা করি আপনার কাজে লাগবে।
আমরা বাংলাদেশে খুব কম মানুষই কিনে সফটওয়্যার ব্যাবহার করি অর্থাৎ অরিজিনাল সিডি কিনে ব্যাবহার করি।যারা বিভিন্ন ভাবে ডাওনলোড করে সফটওয়্যার চালাই তাদের বড় সমস্যা হল সিরিয়াল কী! কারন সব সফটওয়্যারই ৩০ দিনের জন্য ফ্রি দিয়ে থাকে নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এই ৩০ দিন ইউস করতে পারলেও এর আকর্ষণীয় ফিচার ইউস করা সম্ভব হয়না। আজ আমি আপনাদের এই সমস্যা থেকে উত্তরনের একটি উপায় বল্ব যাতে আপনি যেকোন সফটওয়্যার সিরিয়াল কী ব্যাবহারের মাধ্যমে দীর্ঘদিন ব্যাবহার করতে পারবেন।
Microsoft Office Serial Number Change Form
কিভাবে করবেনঃ
এটা করার জন্য আপনি সরাসরি google.com এ যান তারপর সার্চ বক্সে আপনার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারটির নাম লিখুন অর্থাৎ যে সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কী খুজছেন তার নাম দিন ও সাথে লিখুন 94FBR.
এখন সার্চ দিন দেখুন আপনার দরকারি সিরিয়াল কি আপনার সামনে হাজির….2014-01-01_222149
উদাহারনঃ আমি খুজছি ফটোশপ এর সিরিয়াল কী এই জন্য লিখব- “photoshop 7” 94FBR
আজ এই পর্যন্তই আপনি অবশ্যই ট্রাই করুন ও জানান কোন সফটওয়্যার এর সিরিয়াল কী আনলেন।
কোন কিছু বুঝতে সমস্যা বা সমস্যা হলে এখানে কমেন্ট করুন বা আমাকে ফেসবুকে মেসেজের মাধ্যমে জানান।
আমার ফেইসবুক আইডিঃ www.facebook.com/dipu.gfn
বিদায় সবাই ভাল থাকুন সুস্থ থাকুন…
আর আবারো সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা… নতুন বছর সাবার ভাল কাটুক,সুখ শান্তি থাকুক ও সর্বোপরি প্রতিটি মানুষের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক….
*আল্লাহ্‌ হাফেয* 

কিভাবে আপনার ব্লগকে আনবেন গুগলের সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে

First-page-of-googleসমগ্র অনলাইন যেন তথ্যের এক মহাসমুদ্র। নানা ধরনের ওয়েবসাইটে রয়েছে নানা ধরনের তথ্য্। কিন্তু অনলাইনজুড়ে এত ওয়েবসাইটের ভিড়ে ভিজিটর কোন নির্দিষ্ট তথ্যের জন্য ঐ ধরনের বিষয়বস্তুর সব ওয়েবসাইট কি ভিজিট করতে পারে বা করা সম্ভব হয়। সহজ উত্তর ”না”। ভিজিটর তার নির্দিষ্ট তথ্যের জন্য সেসব সাইটেই বেশি ভিজিট করে যেগুলি সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টে প্রথম পেজে আসে। কিন্তু আপনারা নি্শ্চয় জানেন কোন সাইট এমনিতেই সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে আসেনা বরং এজন্য অনেক কাঠ খড় পোড়াতে হয়। SEO ও SMM এর মাধ্যমে কো্ন সাইটকে আমরা গুগলের ফার্স্ট পেজে নিয়ে আসতে পারি। বন্ধুগণ আজ আমরা আলোচনা করতে যাচ্ছি কীভাবে কোন সাইটকে গুগলের সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে নিয়ে আসা যাবে। তো চলুন দেখে নেওয়া যাক আলোচনাটি।

ইউনিক কনটেন্ট

যেকোন ব্লগের সফলতার প্রাথমিক শর্ত হাই কোয়ালিটি ইউনিক কনটেন্ট। সার্চ ইঞ্জিনগুলি ইউনিক কনটেন্টকে সবসময় সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে থাকে। আগে কপি পেস্টের মাধ্যমে কোন ব্লগ পোস্ট দিলেও প্রচুর ব্যাকলিংকের মাধ্যমে কোন সাইটেকে গুগলের সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে নিয়ে আসা যেত। কিন্তু অতি সম্প্রতি গুগল পান্ডা এবং পেঙ্গু্ইন আপডেটের ফলে এখন আর অসংখ্য ব্যাকলিংকের মাধ্যমে সাইটকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে আনা সম্ভব নয়। বরং অতিরিক্ত ব্যাকলিংক ক্রিয়েট করলে গুগল সেটিকে স্প্যাম হিসাবে গণ্য করে। এবং যে সাইটের জন্য এসব অতিরিক্ত ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করা হয় সে সাইটকে গুগল তার ইনডেক্স থেকে বাতিল করে দেয়্। সুতরাং বুঝতেই পারছেন হাই কোয়ালিটি ইউনিক কনটেন্টের গুরুত্ব্। একটি পোস্ট সাধারণত 300-500 শব্দের মধ্যে করলেই ভাল হবে। তবে পোস্ট লিখার সময় এসইও’র কথা ভেবে এত ঘন ঘন কীওয়ার্ড ব্যবহার করেন যে কীওয়ার্ড ডেনসিটি অনেক বেড়ে যায়। এ ধরণের পোস্টগুলিও সাধারণত সার্চ ইন্জিনে কোন গুরুত্ব পায় না। সুতরাং পোস্ট লেখার সময় খেয়াল রাখবেন যেন সেটি ভিজিটরদের উদ্দেশ্যে লেখা হয়, সার্চ ইন্জিনের জন্য নয়, তাহলে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড পরিহার করে আপনি একটি ন্যাচারাল পোস্ট লিখতে পারবেন।

সঠিক কীওয়ার্ড খুজে বের করা

আপনার ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুর সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ কীওয়ার্ড খুজে বের করতে হবে। আপনি গুগল এডওয়ার্ডস গিয়ে সেসব কীওয়ার্ড খুজে বের করতে পারেন যেগুলির মাধ্যমে বেশি সার্চ করা হয়ে থাকে। তবে কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে আর্টিকেল লেখার সঠিক নিয়ম অনুসরণ করে। খেয়াল রাখবেন যেন কীওয়ার্ড খুব বেশি ব্যবহার করা না হয় আবার খুব কমও না হয়।

গুগলে সাইটম্যাপ সাবমিট করা

সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে আসার জন্য আপনার ওযেবসাইটের সাইটম্যাপ তৈরী করে গুগলে সাবমিট করতে হবে। গুগল সাইটম্যাপের মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইটের স্ট্রাকচার তখা কনটেন্ট বা বিষয়বস্তু সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পারবে। যেটি আপনার সাইটকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে নিয়ে যাওয়ার জন্য সহায়ক হবে।

গেস্ট ব্লগিং

আপনার সাইটকে সার্চ ইন্জিনের প্রথম পেজে আনতে গেস্ট ব্লগিংযের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। গেস্ট ব্লগিংযের জন্য কিছু প্রসিদ্ধ সাইট রয়েছে যেখানে আপনি আপনার পোস্ট সাবমিট করতে পারেন। গেস্ট ব্লগিং করলে আপনি একইসাথে বেশ কিছু উপকারীতা পাবেন। প্রথমত আপনি আপনার সাইটের জন্য ভাল কিছু সাইটের ব্যাকলিঙ্ক পাবেন এবং সেই সাথে ব্লগিং কমিউনিটির সাথে আপনার সাইটের তথা আপনার পরিচিতি হবে। আপনি গেস্ট ব্লগিং করলে আপনার সাইটে আপনি টার্গেটেড ভিজিটর পাবেন। সুতরাং বুঝতেই পারছেন গেস্ট ব্লগিংয়ের গুরুত্ব।

লংটেইল কীওয়ার্ড

মনে করুন কোন পোস্টের জন্য কীওয়ার্ড হচ্ছে “Android Smartphone”. তাহলে এটাই যদি মুল কীওয়ার্ড হয় অন্য ব্লগাররাও তাদের সাইটে এ কীওয়ার্ড ব্যবহার করবে। সেক্ষেত্রে আপনাকে কীওয়ার্ড কম্পিটিশনে পড়তে হবে। এবং আপনার সাইটের সার্চ রেজাল্টের প্রথম দিকে আসা তুলনামূলক কঠিন হয়ে পড়বে। এজন্য আপনি লংটেইল কীওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারেন। যেমন এখানে আপনি লিখতে পারেন “New Android Smartphone” অখবা “Android smartphone 2013”. এ কীওয়ার্ডগুলি একটু দীর্ঘ বা লংটেইলযুক্ত। আপনি এ কীওয়ার্ড ব্যবহার করলে আপনাকে কম পরিমাণ কীওয়ার্ড কম্পিটিশন ফেস করতে হবে যেটি আপনার সাইটকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে আনতে সহায়তা করবে।

ব্যাকলিঙ্ক

ব্যাকলিঙ্কের প্রয়োজনীয়তা অবশ্যই রয়েছে। তবে অতিরি্ক্ত ব্যাকলিঙ্ক ক্রিয়েট করলে সেটি সাইটের জন্য ক্ষতিকারক। কোন সাইটের জন্য অতিরিক্ত ব্যাকলিঙ্ক ক্রিয়েট করলে সেটি সার্চ ইঞ্জিনগুলি স্প্যাম হিসাবে গণ্য করে। যেমন গুগলের ক্ষেত্রে কোন সাইটের ব্যাকলিঙ্ক স্প্যাম কমেন্ট হিসাবে গণ্য হলে গুগল তার ইনডেক্স থেকে এসব সাইটকে বাদ দিয়ে দেয। আপনি ব্যাকলিঙ্ক ক্রিয়েট করার জন্য Social bookmarking, Guest Blogging, Forum posting, Link while, Relevant blog comment, Directory submission, RSS Submission ইত্যাদি করতে পারেন্। তবে এগুলি অবশ্যই পরিমিত মাত্রায় হতে হবে। যেমন 5টি করে Social bookmarking, Relevant blog comment ইত্যাদি অন্যান্য ব্যাকলিঙ্কগুলিও করতে পারেন। তাছাড়া কোন পোস্ট পাবলিশড করার পর চেষ্টা করবেন ঐ পোস্টের পারমালিঙ্কের উপর কয়েকটি অথরিটি ব্যাকলিঙ্ক তৈরী করার। এটি আপনি গেস্ট ব্লগিংয়ের মাধ্যমে করতে পারেন। এ নিয়মগুলি অনুসরণ করে ব্যাকলিঙ্ক ক্রিয়েট করলে আপনি আপনার সাইটকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পেজে নিয়ে যেতে পারবেন বলে আশা করা যায়।

বিজনেস সাইটের প্রোফাইল সাবমিট করা

যদি আপনার ওয়েবসাইটটি বিজনেস সংক্রান্ত হয় তাহলে বিস্তারিত বিজনেস প্রোফাইল superpages.com সাইটে সাবমিট করা। গুগল সমস্ত বিজনেস প্রোফাইল এই সাইটে সার্চ করে থাকে। এটি গুগলের প্রথম পেজে কোন সাইটকে নিয়ে আসতে সহায়তা করে।

শনিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

মজার ও সহজ পাইথন প্রোগ্রামিং


সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা । আশা করি সবাই খুব ভাল আছেন ও আজ মজা করছেন ঈদের ।এমন একটি শুভ দিনে আমি একটি শুভ উদ্যোগ নিতে চলেছি আপনাদের জন্য । এ উদ্যোগ টা হল একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ নিয়ে মুন্দর একটা টিউটোরিয়াল এর শুভ সূচনা ।
প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ টা হল পাইথন । এটা হল পৃথিবীর সবচেয়ে সহজ একটা প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ । তবে এটা একটা পাওয়ারফুল প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ও বটে । তবে এটা নিয়ে বাংলা তে খুব বেশী টিউটোরিয়াল নেই বলে আজ আমার এ প্রয়াস । পৃথিবীর বহু সফটওয়ার ও ওয়েবসাইট এ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ টা দ্বারা তৈরী ।
এখন আজ আমরা শুধু এ প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ এর কোড লেখার জন্য প্রস্তুতি নিই । কোড লেখার জন্য আপনাদের ডাউনলোড করতে হবে পাইথন এর সফটওয়ারটা ।সেটা ডাউনলোড করুন http://www.python.org/download/releases/3.3.0/ থেকে ।
ডাউনলোড করার পর এটি ইনস্টল করে ফেলুন । ইনস্টল করার পর দেখুন পাইথন ৩.৩ এর মধ্যে তিনটি অপশন সো করছে । আপনারা কোড লেখার জন্য "পাইথন গুই" টা ওপেন করুন । এরপর ফাইল থেকে নিউ উইনডো সিলেক্ট করুন বা কন্ট্রোল + এন চাপুন । ফলে একটি নতুন উইনডো ওপেন হবে । এবার প্রাথমিক কাজ সব শেষ । এবার আমরা কোড লেখা শুরু করব । আজ আমি আপনাদের ছোট্ট একটা প্রগ্রাম তৈরী ও রান করা দেখাব ।
নিউ উইনডো তে সবাই লিখুন :
টেকটিউনস কোড হাইলাইটার - কোড কপি করতে কোডের উপর ডাবল ক্লিক করুন
1
2
3
print("Hello world")
print("Hello new programmer, World is waiting for you")
print("Hello everybody")
এবার এটা সেভ করুন ও এফ৫ চেপে প্রোগ্রাম টি রান করান ।অথবা রান মেনু থেকে রান মডিউল ক্লিক করে প্রোগ্রামটি রান করান । দেখবেন পাইথন গুই তে আপনার Hello world, Hello new programmer, World is waiting for you, Hello everybody লেখা গুলো প্রিন্ট করেছে ।
অর্থাত পাইথন গুই তে ১ম ব্রাকেট ও " " এর মধ্যের লেখাগুলো প্রিন্ট করছে । এবং সবসময়ই তাই করবে ।
এবার এভাবে আপনি নিজে নিজে অনেকগুলো লেখা প্রিন্ট করুন ।
আপনি সাধারন যোগ বিয়োগ,গুণ ভাগ পাইথন গুইতে বসে ই করতে পারবেন । যেমন পাইথন গুইতে লিখুন :
টেকটিউনস কোড হাইলাইটার - কোড কপি করতে কোডের উপর ডাবল ক্লিক করুন
1
2
3
4
২ * ২
১০০ * ৬০০
৫৫ + ৩২
১২ - ৬
প্রভৃতি । সাথে সাথে আপনি ফল পেয়ে যাবেন ।
নিউ উইনডো তে এবার লিখুন :
টেকটিউনস কোড হাইলাইটার - কোড কপি করতে কোডের উপর ডাবল ক্লিক করুন
1
2
3
4
5
print("2 + 2 is  ", 2 + 2)
print("5 * 6 is ", 5 * 6)1
প্রোগ্রাম টি রান করান । দেখুন :
12 + 2 is 4
5 * 6 is 30
এভাবে প্রোগ্রাম টি রান হয়েছে । মানে " " এর মধ্যের লেখাটি পাইথন হবহু প্রিন্ট করেছে এবং বাইরের লেখাটি তে গাণিতিক সমস্যা সমাধান করেছে ।
এভাবে প্রাকটিস করতে থাকুন । আজ এ পর্যন্তই ।
কোন বিষয় বুঝতে না পারলে কমেন্টে বলুন । সমাধান করার চেষ্টা করব ।

শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪

ফটোশপ দিয়ে টেক্সটের মাঝে ইমেজের এফেক্ট দিন !

ফটোশপ দিয়ে ইমেজ কে টেক্সটে রুপান্তর করা যায় এটা অনেকেই জানেন।আজ দেখাবো কিভাবে টেক্সটের মাঝে ইমেজের এফেক্ট দেওয়া যায়।খুব সহজ এটা।একবার চেষ্টা করলেই পারবেন।কাজ শুরুর আগে একটা পার্থক্য দেখে নিনঃ


  • প্রথমে ফটোশপে আপনি যেই ইমেজের এফেক্ট টেক্সটে দিতে চান সেটা Open করুন।আমি লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির আঁকা বিখ্যাত লাস্ট সাপারের চিত্রটা নিয়েছি।এবার আপনার ওপেন করা ইমেজটির একটি Duplicate  Background তৈরীর জন্য কী-বোর্ডে Ctrl+J বাটন প্রেস করলে দেখবেন ফটোশপের লেয়ার প্যানেলে Layer 1 নামে একটি ডুপলিকেট ব্যাকগ্রাউন্ড তৈরী হয়েছে। 



  • এবার Layer Panel এ গিয়ে Create a new Layer বাটনে ক্লিক করে Layer 2 নামে নতুন একটি লেয়ার নিন। 

  • এখন Layer 2 কে Drag করে Layer 1 এর নিচে নামিয়ে আনুন।


  • Layer 2 সিলেক্ট করে ফটোশপের Edit মেনু থেকে Fill অপশনে ক্লিক করুন।অথবা কী-বোর্ডে শর্টকাটের জন্য Shift+F5 চাপুন।


  • এবার একটি নতুন উইন্ডো আসবে সেখানে Contents Use: White সিলেক্ট করুন।

  • Layer Panel এ দেখুন Layer 2 এর ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা দেখাচ্ছে।এখন Layer 1 সিলেক্ট করুন।

  • এখন Foreground Color: white সিলেক্ট করুন।তারপর Type Tool সিলেক্ট করে আপনার টেক্সট লিখুন।আমি এখানে THE LAST SUPPER লিখেছি।আপনার লেখা টেক্সটে উপযুক্তভাবে ইমেজের ব্যাকগ্রাউন্ড সেট করার জন্য কী-বোর্ডে Ctrl+T চেপে মাউস দিয়ে টেক্সটের উপরে-নিচে বা ডানে-বামে টেনেটুনে ঠিকভাবে সেট করুন। সেট করার ঠিক হলে মেনুবারের নিচে টিক চিহ্নতে ক্লিক করুন।

  • Text Layer কে Drag করে Layer 1 এর নিচে নিয়ে আসুন।

  • কাজ প্রায় শেষ পর্যায়।আর একটুখানি ধৈর্য ধরুন। :) এখন Layer 1 সিলেক্ট করে মেনুবার থেকে Layer মেনু থেকে Create Clipping Mask অপশনে ক্লিক করুন।


  • খেল খতম! আপনার টেক্সটে ইমেজের এফেক্ট পড়েছে :D

আপনার ইমেজ যত সুন্দর হবে টেক্সটে তার এফেক্টও ততোই আকর্ষনীয় হবে তাই সুন্দর ইমেজ সিলেক্ট করে টেক্সটে বসিয়ে দিন। :) 

সফটওয়ার ছাড়াই লক করে রাখুন আপনার পার্সোনাল ফোল্ডার! ১০০% সুরিক্ষিত…

সফটওয়ার ছাড়াই লক করে রাখুন আপনার পার্সোনাল ফোল্ডার! ১০০% সুরিক্ষিত…

নিজের গুরুত্বপুর্ণ তথ্যসংবলিত বিভিন্ন ফাইল বা ফোল্ডারের নিরাপত্তার জন্য ব্যক্তিগত কিংবা অফিসের কম্পিউটারে অনেকেই পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখেন। এজন্য বিভিন্ন থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ব্যবহার করতে দেখা যায় যার বেশিরভাগই ফ্রি নয়।
2010-08-26_183135
অপরদিকে এগুলো ব্যবহার করাও বেশ ঝামেলার ও ব্যয়বহুল। আবার কিছু কিছু সফটওয়্যারের মাঝে নিরপত্তা ত্রুটিও দেখা যায় ফলে অনেকসময় সফটওয়্যারগুলো নিরপত্তা দেয়ার বদলে উল্টো নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার ঘটনাও কম শোনা যায় না।
এমন যদি হত কোন সফটওয়্যার ছাড়াই সবকিছু পাসওয়ার্ড দিয়ে রাখা যেত তাহলে বেশ ভালই হত।
আর হ্যাঁ, এমনি এক পদ্ধতি সম্প্রতি প্রযুক্তি বাজারে এসেছে যেখানে আপনি আপনার ফাই/ফোল্ডার রাখতে পারবেন সুরক্ষিত। কিন্ত এর জন্য আপনার কোন সফটওয়ারের সাহায্য নিতে হবে না।
এজন্য নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন:
১। প্রথমে এখান থেকে এই .txt ফাইলটি ডাউনলোড করুন।
1
২। এবার  ফাইলটি নোটপ্যাড দিয়ে ওপেন করে  type your password here লেখা জায়গাটাতে এই লেখাটি মুছে আপনার কাঙ্খিত পাসওয়ার্ডটি লিখুন।== চিহ্নটির পর কোন স্পেস দেবেননা। == চিহ্নটার সাথেই পাসওয়ার্ডটি লিখতে হবে এবং goto লেখাটার আগে একটা স্পেস দিতে হবে।
৩। এবার নোটপ্যাডের উপরে বামপাশের ফাইলে যেয়ে Save As দিন এবং আপনার পছন্দ মত যেকোন নাম দিয়ে নামের শেষে .bat (উদাহরন: folderlock.bat) লিখে সেভ করুন, অর্থাৎ .bat এক্সটেনশনে সেভ করুন।
2
৪। এবার এখান থেকে .bat থেকে .exe তে কনভার্ট করার সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে নিন। .bat থেকে .exe তে কনভার্ট না করলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ত্রুটি দেখা যায়। অনেকসময় .bat ফাইলটি এডিট করা যায় এবং পাসওয়ার্ডও প্রকাশ হয়ে যাবার ঝুকি থাকে। তাই কনভার্ট করে নিলে আর কোন প্রকার ঝুকি থাকেনা। এরপর কনভার্টারটি চালু করুন এবং Batch File এর জায়গায় আপনার ফাইলটি সিলেক্ট করুন। Visibility অপশনটিতে অবশ্যই Visible Application দিতে হবে, চাইলে আপনি বাড়তি নিরপিত্তার জন্য Encryption অপশনটিতে Encrypt the program এ টিক চিহ্ন দিয়ে এখানেও একটা পাসওয়ার্ড দিয়ে দিতে পারেন। অ্যাপ্লিকেশনটা প্রতিবার চালু হবার সময়ই এই পাসওয়ার্ডটি এন্টার করতে হবে। সব হয়ে গেলে Compile দিন। দেখবেন .exe এক্সটেনশনের একটি অ্যাপ্লিকেশন তৈরি হয়েছে।
12
৫। এবার .exe ফাইলটি যেখানে সেভ করেছেন সেখানে যান এবং ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন। ডাবল ক্লিক করার সাথে সাথে সেখানেই Locker নামের একটি ফোল্ডার তৈরি হবে। আর যদি Encryption অপশনে কোন পাসওয়ার্ড দিয়ে থকেন তবে ডাবল ক্লিক করার পর পাসওয়ার্ড চাইলে চালু করার জন্য ঐ পাসওয়ার্ডটি দিতে হবে।
11
৬। এখন ফোল্ডারটি ওপেন করুন এবং যেসব ফাইল বা ফোল্ডার লক করতে চান সেগুলো এই Locker ফোল্ডারে ট্রান্সফার করে নিন। সব ফাইল ট্রান্সফার করা হয়ে গেলে ফোল্ডারটি বন্ধ করুন।
৭। এবার আপনার সেভ করা .exe ফাইলটিতে আবার ডাবল ক্লিক করুন, পাসওয়ার্ড চাইলে কনভার্টারের Encryption পাসওয়ার্ডটি দিন এবং Command উইন্ডোতে Y প্রেস করে Enter দিন। দেখবেন ফোল্ডারটি গায়েব হয়ে গেছে। আর চিন্তার কিছু নেই, কম্পিউটারের Folder Option থেকে Show hidden files, folders and drives দিলেও এই ফোল্ডারটি কখনোই দেখা যাবেনা। এটা সবসময়ই গায়েব থাকবে ।
4
৭। এবার ফোল্ডারটি ফিরে পেতে হলে আবার ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন, অ্যাপ্লিকেশন স্টার্টের সময় পাসওয়ার্ড চাইলে কনভার্টারে দেয়া Encryption পাসওয়ার্ড দিন এবং পরবর্তিতে কমান্ড উইন্ডোতে পাসওয়ার্ড চাইলে একেবারে শুরুতে নোটপ্যাডে আপনার লেখা পাসওয়ার্ডটি টাইপ করে Enter দিন। দেখবেন ফোল্ডারটি আবার চলে এসেছে।
5
এভাবে যেকোন ফাইলই পাসওয়ার্ড দিয়ে লুকিয়ে রাখতে পারেন কোন থার্ড পার্টি সফটওয়্যার ছাড়াই।
(সুত্রঃ বিজ্ঞান-প্রযুক্তি)